অন্ধ হয়ে টি-টোয়েন্টিতে ডাবল সেঞ্চুরি!

Image
ফ্রেডরিক বোয়ের। ছবি: ফেসবুক
দক্ষিণ আফ্রিকায় দৃষ্টিহীনদের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে দ্বি শতক রানের ইনিংস খেলেছেন এক ব্যাটসম্যান ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে দ্বি শতক আছে সর্বসাকল্যে আটটি। টি-টোয়েন্টিতে নেই। একটু ভুল হলো। দ্বি শতক আছে। তবে সেটি একটু ভিন্ন ধরনের ক্রিকেট প্রতিযোগিতায়। দৃষ্টিশক্তি নেই এমন ক্রিকেটারদের টুর্নামেন্টে দ্বি শতক রানের ইনিংস, ভাবা যায়!
ঘটনাস্থল দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রিটোরিয়ায় ব্লাইন্ড ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে বোল্যান্ডের হয়ে দ্বি শতক রানের ইনিংস খেলেছেন ফ্রেডরিক বোয়ের। কাল রাউন্ড রিপন লিগের শেষ ম্যাচে ফ্রি স্টেটের বিপক্ষে ২০৫ রানের ইনিংস খেলেন বোল্যান্ডের হয়ে খেলা এই ব্যাটসম্যান। কোনোরকম দৃষ্টিশক্তি ছাড়াই মাত্র ৭৮ বলে ইনিংসটি খেলেন বোয়ের। ৩৯টি চার আর ৪ ছক্কায় সাজানো তার এই ইনিংসে স্ট্রাইক রেট ২৬৩। ২০৫ রানের এই ইনিংসে ১৮০ রানই এসেছে বাউন্ডারি থেকে—যা তাঁর মোট রানের ৮৭ শতাংশ।
দুর্দান্ত এই ইনিংসটি খেলার পথে অন সাইড থেকে ১২৮ রান তুলে নেন বোয়ের। এর মধ্যে মিড উইকেট থেকে তুলেছেন ৭৮ রান। বোল্যান্ডের ইনিংসে শেষ বলে আউট হন তিনি। তবে বোয়েরের …

হঠাৎ করেই উপস্থিত দীঘি

হঠাৎ করেই উপস্থিত দীঘি
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির (বাচসাস) নির্বাচন ছিল শুক্রবার। সে দিন হঠাৎ করে প্রেসক্লাবে চলে আসেন দীঘি। দীঘির পুরো নাম প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। ছোট্ট দীঘি বড় হয়ে গেছেন। সাথে রয়েছেন দুই ছোট কাজিন ও তাদের মা। বেশ হাস্যোজ্জ্বল দীঘি এদিকে-সেদিকে ঘুরে বেড়াতে লাগলেন। একসময়ের শিশুশিল্পী দীঘি আগামী ২০২০ সালে নায়িকা হয়ে পর্দায় ফিরবেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন দীঘির বাবা অভিনেতা সুব্রত। ২০২০ সালে এসএসসি পাসের পরই কেবল তিনি অভিনয়ে ফিরবেন।
প্রশ্ন করলাম, 'এখানে কেন এসেছেন?' দীঘি সলজ্জ হেসে বললেন, 'কেন আসতে পারি না, আপনাদের ভোট দেখতে এসেছি। অনেক আঙ্কেল তো পরিচিত, তাঁদের ভোট হচ্ছে এ জন্য দেখতে এসেছি।'
এখন আপনার ব্যস্ততা কী নিয়ে? দীঘি বললেন, 'এখন আমি স্ট্যামফোর্ড স্কুলে নাইনে পড়ছি। এখন ব্যস্ততা বলতে আমার পড়াশোনা নিয়েই আমি ব্যস্ত। পড়াশোনা ভালোভাবে শেষ করব সেটাই আমার লক্ষ্য। ২০১৯ সালে আমার এসএসসি শেষ হবে এর পরেই আমি অভিনয়ে ফিরবো। কেননা অভিনয় দিয়েই মানুষ আমাকে চেনে, তো এই প্রিয় জায়গাতে আমাকে ফিরতেই হবে।'

প্রেসক্লাবে অভিনেতা সাইমনের সাথে
পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে ৩৬টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। অধিকাংশ ছবিই ব্যবসা সফল। এর মধ্যে ৩৪টি ছবি মুক্তি পেয়েছে। ২০০৬ সালে 'কাবুলিওয়ালা', ২০১০ এ 'চাচ্চু আমার চাচ্চু' এবং ২০১২ সালে 'এক টাকার বউ' ছবিতে অভিনয়ের জন্য শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন দীঘি।
বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কোনো শিশুশিল্পী এতবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাননি। আর এত বেশি জনপ্রিয়তাও পাননি। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি সমানতালে তিনি সময় বিজ্ঞাপনচিত্রের মডেল হিসেবেও পর্দায় তার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

Popular posts from this blog

নোয়াখালীতে উৎসবমুখর পরিবেশে উন্নয়ন মেলা শুরু

অন্ধ হয়ে টি-টোয়েন্টিতে ডাবল সেঞ্চুরি!